Wednesday, April 22, 2020

12 Charming Small Towns In The South | TripAdvisor Vacation Rentals
শহুরে চাকরিজীবী শিক্ষিত আদিবাসী সান্তাড় রা যারা যারা অ-আদিবাসীদের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে দুনিয়ার সর্বসুখ ভোগ করতে গিয়ে নিজেদের জীবনে কি নাই সর্বনাশ ডেকে এনেছেন তা একমাত্র বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর যখন তাঁদের স্বপ্ন তাসের ঘরের মত ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গিয়েছে। তাছাড়া নিজেদের বাঁধন ছাড়া উচ্ছ্বাস, আবেগকে জলাঞ্জলি দিয়ে সীমাহীন নীলাকাশে বিচরণ করতে গিয়ে কখন যেন তারা পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির সীমানা ছাড়িয়ে নিজেদের কে ভারসাম্যহীন করে ফেলেছেন এবং নিজেদের কে শূন্যতায় ঝুলিয়ে দিয়ে অসাড় করে ফেলেছেন তা নিজেরাও জানেন না। তাই তো তাদের সমাজের প্রতি ও নিজেদের পরিবারের প্রতি বিন্দুমাত্র কৃতজ্ঞতা, সহানুভূতি নেই। তাই নিজেদের সমাজ ও পরিবারের প্রতি সহানুভূতির বদলে এক রাশ ঘৃণা উপহার দিয়েছেন। অপরকে আপন করতে গিয়ে জলবায়ু পরিবর্তনের ন্যায় নিজেদের হৃদয়কে অসহিষ্ণু, অনমনীয়তা, হৃদয়হীন ও বিবেকহীন করে ফেলেছেন। তাই নিজেদের সমাজ ও পরিবার কে প্রান্তিকতার দিকে ঠেলে দিতেও পিছপা হননি। আমার আগের প্রতিবেদনে প্রমাণ করে দিয়েছি যে আদিবাসী সানতাড়দের সাথে অ-আদিবাসীদের বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া কোনদিনই সুখের হবে না এবং ইহ জন্মে কেন পর জন্মেও সুখের হবে না। অ-আদিবাসীদের সাথে আদিবাসী সান্তাড় দের বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়াটা যে সুখের নয়, তা চিরন্তন সত্য। তাই আমি এই চিরন্তন সত্য কে আবিষ্কার করেছিলাম এবং জনমানসে বড়াই করে প্রচার করেছিলাম। হয়তো আমার এই দাওয়াইয়ের উপকারিতা অনেক শিক্ষিত চাকুরিজীবী সান্তাড়রা স্বীকার করেছেন আবার অনেকেই হয়তো অস্বীকার করেছেন। যাদের যাদের শরীরে এই দাওয়াই সুট করেছে তাদের ভবিষ্যৎ অবশ্যই উজ্জ্বল এবং যাদের যাদের শরীরে এই দাওয়াই সুট করেনি তাদের শরীর ও মনেপ্রাণে অবশ্যই নিত্যনতুন অজানা রোগের জন্ম দেবে। যখন এই নিত্যনতুন অজানা রোগের প্রকোপে সারা শরীর ও মনকে গ্রাস করবে তখন কোন দাওয়াই কাজ করবে না, এ বিষয়ে আমি নিশ্চিত। তাই ত শহুরে চাকরিজীবী শিক্ষিত সান্তাড় রা অনেকেই আমার আগের দাওয়াই এর উপকারিতা মনেপ্রাণে মেনে নেয় নি এবং তাদের শরীরে এই দাওয়াই টা হয়তো সুট করে নি। সুট করে নি বলেই বেশ কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করছি গুটিকয়েক শহুরে শিক্ষিত চাকুরিজীবী সান্তাড় রা অ-আদিবাসীদের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ বিষয়ে অনেকেই নানান প্রশ্ন তুলেছেন? অনেকেই বলেছেন নাকি নিজেদের ব্যক্তিগত জীবনের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আদিবাসী সান্ত্বাড় সমাজের নাক গলানো বা হস্তক্ষেপ এর এক্তিয়ার নেই অর্থাৎ অ-আদিবাসীদের সাথে বিবাহবন্ধনের আবদ্ধ বিষয়ে আদিবাসী সান্তাড় সমাজ যেন নাক না গলায়, এটা সম্পূর্ণরূপে ব্যক্তিগত ব্যাপার, একান্ত নিজেদের সিদ্ধান্ত। আপনাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আদিবাসী সান্তাড় সমাজ কেনই বা মেনে নিচ্ছে না.......... ??? এটা নিয়েই আজকের আমার আলোচ্য বিষয়। আদিবাসী সান্তাড় সমাজ আপনাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অবশ্যই নাক গলাত না যদি না আপনারা আদিবাসী সান্তাড় সমাজ ও নিজের পরিবারের প্রতি বিমুখ না হতেন বা বিপরীত মেরুতে অবস্থান না করতেন? শহুরে চাকরিজীবী আদিবাসী সান্তাড়রা যারা যারা অ-আদিবাসীদের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তাঁদের জ্ঞানভাণ্ডারের পরিধি কতটা তা আমি জানি না? তবে এদের দূরদর্শিতা নিয়ে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে? কারণ আমাদের নিরক্ষর আদিবাসী সান্তাড় দের সাথে এদের যথেষ্ট সাদৃশ্য রয়েছে? প্রাচীনকাল থেকেই অ-আদিবাসী রা নিরক্ষর আদিবাসী সান্তাড়দের কে প্রতিনিয়ত ঠকিয়ে এসেছে, অ-আদিবাসী দের দ্বারা প্রতারিত হয়েছে এবং এখনও হচ্ছে। এমনকি নিরক্ষর আদিবাসী সান্তাড় দের জমি জায়গা পর্যন্ত অনেক ক্ষেত্রে অ-আদিবাসী রা কেড়ে নিয়েছে বা দখল করে নিয়েছে। এর কারন এদের দূরদর্শিতার অভাব। একইভাবে অ-আদিবাসী রা শহুরে চাকরিজীবী আদিবাসী সান্তাড়দের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার নামে চাকরিজীবী আদিবাসী সান্তাড়দের সম্পত্তি ও উপার্জনের সমস্ত টাকা হাতিয়ে নেওয়া। এই সমস্ত অ-আদিবাসী রা চাকরিজীবী আদিবাসী সান্তাড়দের কে ভালোবাসে না,আদিবাসী সান্তাড় সমাজ, সংস্কৃতি, রীতিনীতি ও পরিবার কে ভালোবাসে না, শুধুমাত্র ভালোবাসে চাকরিজীবী আদিবাসী সান্তাড়দের সম্পত্তি। আসলে অ-আদিবাসী রা চাকরিজীবী আদিবাসী সান্তাড়দের কে তাদের নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে মাত্র। সেইজন্য এই সমস্ত অ-আদিবাসী রা চাকুরিজীবী সান্তাড় দের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর সান্তাড় পরিবারের সাথে সমস্ত রকমের সম্পর্ক ছেদ করতে বাধ্য করানো হয়। কারণ সান্তাড় পরিবারের কাছ থেকে চিরকালের মতো সম্পর্কের দূরত্ব তিক্ততা করতে না পারলে যে তাদের উদ্দেশ্য স্বার্থ সিদ্ধি হবে না। তাই অ-আদিবাসী রা যে বিবাহবন্ধনের নামে চাকুরিজীবী সান্তাড় দের কে যে সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করেন সেটা চাকরিজীবী সান্তাড় দের বোঝার ক্ষমতা নেই বা এদের দূরদর্শিতার অভাব আছে। তাই চাকুরীজীবি সান্তাড় রা বিবাহবন্ধনে এর নামে প্রতারণার শিকার হতে হয়। তাহলে নিরক্ষর আদিবাসী সান্তাড় আর এই সমস্ত চাকরিজীবী সান্তাড় দের দূরদর্শিতার মধ্যে কোন ফারাক নেই। এইবারে আপনারা বলুন অ-আদিবাসীদের সাথে বিবাহবন্ধনের ব্যপারে ব্যক্তিগত জীবনের স্বাধীনতা হরণের কথা বলে যারা যারা চাকুরীজীবি সান্তাড় রা আদিবাসী সান্তাড় সমাজের দিকে আঙুল তুলছেন তাদের কাছে আমার ব্যক্তিগত প্রশ্ন? যে সমস্ত অ-আদিবাসী রা চাকুরিজীবী সান্তাড়দের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তাঁরা নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করা ছাড়া কোনদিন সান্তাড় সমাজ, সংস্কৃতি, রীতিনীতি ও সান্তাড় পরিবার কে আপন করতে দেখেছেন? স্বার্থ ছাড়া এই সমস্ত অ-আদিবাসী রা এক পাও এগোন না। আপনারা একটাও দেখতে পারবেন কোনও অ-আদিবাসী চাকুরিজীবী ছেলে কোনও এক বেকার আদিবাসী সান্তাড় মেয়েকে বিয়ে করেছেন? আপনারা একটাও দেখতে পারবেন কোনও অ-আদিবাসী চাকুরিজীবী মেয়ে কোনও এক বেকার সান্তাড় ছেলেকে বিয়ে করেছেন? তাহলে কেন বেছে বেছে চাকুরিজীবী সান্তাড় ছেলে বা মেয়েকেই অ-আদিবাসী ছেলে বা মেয়েরা বিয়ে করছে কেন? কারণ এখানে এই সমস্ত অ-আদিবাসীদের স্বার্থ জুড়িয়ে আছে? যে সমস্ত অ-আদিবাসী ছেলে বা মেয়েরা চাকুরিজীবী সান্তাড়দের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তাদের মধ্যে একটা অ-আদিবাসী ছেলে বা মেয়ে দেখাতে পারবেন বিয়ের পর সান্তাড় পরিবারের সাথে সম্পর্ক রেখেছেন? একটা অ-আদিবাসী ছেলে বা মেয়ে দেখাতে পারবেন বিয়ের পর সান্তাড় সমাজ, সংস্কৃতি, রীতিনীতি ও ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে দেখেছেন? একটা অ-আদিবাসী ছেলে বা মেয়ের বাবা ও মা চাকুরিজীবী সান্তাড় ছেলে বা মেয়ের বাবা ও মায়ের সাথে সু- সম্পর্ক আছে দেখাতে পারবেন? একটাও দেখাতে পারবেন না.....? তাই বিয়ের পর আজ পর্যন্ত কোনোও অ-আদিবাসী ছেলে বা মেয়ে দেখিনি সান্তাড় সমাজের প্রতি, সংস্কৃতি ও রীতিনীতির প্রতি, পরিবারের প্রতি,ভাষার প্রতি বশ্যতা স্বীকার করতে? কিন্তু সমস্ত চাকুরিজীবী সান্তাড় ছেলে বা মেয়ে বিয়ের পর অ-আদিবাসীদের সমাজ, সংস্কৃতি, রীতিনীতি ও তাঁদের পরিবারের প্রতি দায়বদ্ধতা ও বশ্যতা স্বীকার করতে দেখেছি? তাহলে নিট ফল কি দাঁড়াল? নিট ফল এটাই দাঁড়াল যতগুলো চাকুরীজীবি সান্তাড় ছেলে বা মেয়েরা অ-আদিবাসীদের সাথে বিয়ের পর তাঁদের পরিবার কে ভুলে গেছে, তাঁদের সমাজ, সংস্কৃতি ও রীতিনীতি কে ভুলে গেছে। এক কথায় বলতে গেলে এরা নিজের সমাজ ও পরিবার থেকে নিজেদের কে চিরকালের জন্য বিচ্ছিন্ন রেখেছেন। এরা আদিবাসী সান্তাড় সমাজ থেকে হারিয়ে গেছেন। বিরল প্রজাতির মতো অনেকেই অবলুপ্তি হয়ে গেছেন আবার অনেকেই অবলুপ্তির পথে। এইবারে শহুরে চাকরিজীবী সানতাড়রা অ-আদিবাসীদের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে নিজের জীবনের , সমাজের ও পরিবারের কি কি সর্বনাশ ডেকে এনেছেন দেখে নেওয়া যাক?
#চাকুরিজীবী #সানতাড়রা #অ-#আদিবাসীদের #সাথে #বিবাহবন্ধনে #আবদ্ধ #হয়ে #নিজেদের #জীবনে #কি #সর্বনাশ #ডেকে #এনেছেন#দেখে #নেওয়া #যাক#
যেহেতু অ-আদিবাসী মেয়ে বা ছেলেরা আদিবাসী সান্তাড় সমাজ, সংস্কৃতি, রীতিনীতি ও পরিবার কে ভালোবাসে না সেইজন্য আদিবাসী সান্তাড়দের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর চাকুরিজীবী সান্তাড়দের কে তাদের পরিবার, সমাজ ও আত্মীয়স্বজন থেকে বিচ্ছিন্ন করতে সম্পূর্ণভাবে নিজেদের কে অ-আদিবাসী পরিবারেরা বাধ্য করায়। তাহলে এদের জীবনের সুখ, দুঃখ, বেদনা, ভালো- মন্দ একমাত্র অ-আদিবাসী পরিবারের হাতে। বাক স্বাধীনতা বলতে এদের কিছুই থাকবে না। এরপর অ-আদিবাসী পরিবারেরা আদিবাসী সান্তাড় দের পরিচিত বা তকমা ঘোচাতে সান্তাড় দের পদবী পরিবর্তন করে তাদের দাস, চ্যাটার্জি, ব্যানার্জি, মুখার্জি, চক্রবর্তী ইত্যাদি পদবী তে পরিবর্তন করবেন। ফলে আদিবাসী চাকুরিজীবী সান্তাড়রা অ-আদিবাসী পরিবারের কাছে চিরকালের জন্য তাদের আত্ম পরিচিতি হারিয়ে ফেলবে। তাদের আত্ম পরিচিতি হারানোর ফলে তারা নামহীন, গন্ধ হীন, গোত্র হীন ফুলের মত আজীবন বেঁচে থাকবে। এরপর আদিবাসী সান্তাড়দের প্রবহমান রক্তের স্রোত অ-আদিবাসীদের শরীরে আর প্রবাহিত হবে না। ফলে তাদের সন্তান সন্ততি রা আর আদিবাসী সান্তাড়দের রক্ত বহন করে বেঁচে থাকবে না। যে রকম "কাকের বাসায় কোকিল ডিম পাড়লে সেই বাচ্চা আর কাক হয়ে জন্মায় না, কোকিল হয়েই জন্মায়।" ফলে তাদের প্রজন্মের শরীরে আর আদিবাসী সান্তাড়দের রক্ত প্রবাহিত হবে না। তাদের প্রজন্মের গায়ে আর আদিবাসী সান্তাড়দের গন্ধ থাকবে না,তাদের প্রজন্মের গায়ে আর আদিবাসী সান্তাড়দের পরিচিত নিয়ে বেঁচে থাকবে না, তাদের প্রজন্ম রা বেঁচে থাকবে অ-আদিবাসী পরিচিত নিয়ে। অথচ আদিবাসীদের ST রিজার্ভেশন এর সমস্ত রকমের সুযোগ সুবিধা বঙশ পরম্পরায় ভোগ করবে। সুতরাং তারা অ-আদিবাসীদের বুদ্ধিদীপ্ত বহ্নি শিখার কাছে নিজেদের কে নিঃশেষ করলেন। না তাদের প্রজন্মের কাছে নিজেদের পরিচিত বেঁচে থাকল? না তাদের পরিবারের কাছে নিজেদের পরিচিত বেঁচে থাকল? না তাদের সমাজের কাছে তাদের পরিচিত বেঁচে থাকল? তাহলে অ-আদিবাসীরা চাকুরিজীবী সান্তাড়দের কে সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করে নিজেরা বিত্তশালী হলো আর চাকুরিজীবী সান্তাড়রা নিজেদের জীবনকে অ-আদিবাসীদের কাছে সঁপে দিয়ে বোকা কালীদাস এর মত মহান হতে গিয়ে নিজেদের জীবনে কি সর্বনাশ ডেকে এনেছেন তা একমাত্র তারাই হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন।
চাকুরিজীবী সান্তাড়রা অ-আদিবাসীদের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর থেকে নিজের পরিবারের সাথে তাদের সম্পর্ক যেন উত্তর মেরু, দক্ষিন মেরু, এই দুই বিপরীত মুখী মেরুর অবস্থানের মতো। যে গরীব বাবা মায়েরা একদা নিজেরা অভুক্ত থেকে সন্তানকে লালন পালন করে বড় করলেন। তারাও ত একদিন কুঁড়ে ঘরে থেকে স্বপ্ন দেখেছিলেন আমাদের ছেলে মেয়েরা বড় হলে তাদের স্বপ্ন সত্যি হবে। এই আশায় বুক বেঁধে বাবা মায়েরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে ছেলে মেয়েদের কোলে পিঠে করে মানুষ করেছিলেন। কিন্তু বাবা মায়েদের স্বপ্ন যখন সত্যি হলো তখন তাদের পাশে আর ছেলে মেয়েরা নেই। তাদের ছেলে মেয়েরা ত নতুন বাবা মায়েদের খুঁজে পেয়েছে। নতুন বাবা মায়েদের আদর যত্নের কাছে তাদের জন্মদাতা বাবা মা কে ভুলে গেছে সবাই। তাদের বাবা মায়ের চোখের জল মোছার জন্য তাদের পাশে কেউ নেই, তাদের কে স্বান্তনা দেওয়ার মতো তাদের পাশে কেউ নেই। তবুও সব দুঃখ কে হাসি মুখে তাদের বাবা মায়েরা বরণ করে নিয়েছেন। বাবা মা হয়ে নিজেদের সন্তান কে কোন মুখে অভিশাপ দেবেন? সেইজন্য সব বাবা মায়েরাই শত দুঃখের মাঝে তাদের মুখে শোনা যায় " আমাদের সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে"। সেইজন্য তাদের বাবা মায়েরা তাদের ছেলেদের মুখ দর্শন এর জন্য অনেক বাবা মা তাদের আছে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাদের ছেলেরা তাদের অ-আদিবাসী শশুর শাশুড়ির কাছে তাদের জন্মদাতা বাবা মা অস্বীকার করেছেন এবং তাদের অ-আদিবাসী শশুর শাশুড়ির কাছে তাদের জন্মদাতা বাবা মা কে চাকর বলে পরিচিত দিয়েছেন‌। এহেন পরিস্থিতিতে তাদের ছেলের শশুর শাশুড়ির বাড়ীর পর্দার আড়ালে তাদের মায়ের আপ্তবাক্য " বাবু তুই যখন
প্রথম বার আমাকে মা বলে ডেকে ছিলি তখন আমার মনেপ্রাণে কি নাই আনন্দ হয়েছিল, আজ তুই যখন আমাদের কে চাকর বলে পরিচিত দিলি আজকেও তোর মুখ থেকে এই ডাক শুনে ততটাই আমার মনেপ্রাণে আনন্দ হলো"। এইভাবে তাদের জন্মদাতা দের কাছ থেকে সবাই দূরত্ব বজায় রেখে চলেছেন।

#চাকুরিজীবী #সানতাড়রা #অ-#আদিবাসীদের #সাথে #বিবাহবন্ধনে #আবদ্ধ #হয়ে #নিজেদের #সমাজের #প্রতি #কি #সর্বনাশ #ডেকে #এনেছেন #দেখে #নেওয়া #যাক#
শিক্ষাই হল যেকোন সমাজ বা জাতির মেরুদণ্ড। শিক্ষাই আনে চেতনা, শিক্ষাই আনে বিপ্লব। শিক্ষা ছাড়া কোন সমাজ বা জাতি এগিয়ে যেতে পারে না। আজ আমাদের শিক্ষিত চাকুরিজীবী সান্তাড় রাই হলো সমাজের অগ্রগতির ধারক ও বাহক। অথচ তারাই আমাদের সমাজ থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছেন। আমাদের সমাজ, সংস্কৃতি, রীতিনীতি ও ভাষাকে বিশ্ব দরবারে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব যাদের কাঁধে তারাই আজ আমাদের সমাজ, সংস্কৃতি, রীতিনীতি ও ভাষাকে অবহেলা, অবমাননা করছেন। তাহলে আজ শিক্ষিত চাকুরিজীবী সান্তাড় রাই সমাজ কে পিছিয়েছেন। আজ শিক্ষিত চাকুরিজীবী সান্তাড় রাই সমাজ কে ডুবিয়েছেন। আজ শিক্ষিত চাকুরিজীবী সান্তাড় রাই সমাজ কে অবমাননা করেছেন। আজ শিক্ষিত চাকুরিজীবী সান্তাড় রাই সমাজ কে পদাঘাত করেছেন। আজ শিক্ষিত চাকুরিজীবী সান্তাড় রাই ঘরের শত্রু বিভীষণ এর অবতারে অবতীর্ণ হয়েছেন। তাই এরাই সমাজের বারোটা বাজাচ্ছেন।
তাহলে চাকুরিজীবী সান্ত্বাড় রা অ-আদিবাসীদের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে নিজের জীবনে সর্বনাশ ত ডেকে আনলেন তার সাথে সাথে নিজের সমাজ ও পরিবারের কেও ডুবালেন। তাই নিজের সমাজকে বাদ দিয়ে, নিজের পরিবারকে বাদ দিয়ে, নিজের আত্মীয় স্বজনদের বাদ দিয়ে আপনাদের জীবনের চলার পথ কোনদিনও সুখের হবে না। এদের কে বাদ দিয়ে যদি আপনারা সুখের স্বর্গে বিরাজ করতে চান তবে আপনার সমাজ, আপনার পরিবার, আপনাদের আত্মীয়স্বজন কোনদিনও ক্ষমা করবে না এবং অ-আদিবাসীদের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করতে গিয়ে আপনাদের, সমাজের, পরিবারের কি অপূরণীয় ক্ষতি করেছেন সেটা কোনদিনই আপনারা পূরণ করতে পারবেন না।]

0 comments:

Post a Comment

SOCIAL PLUGIN

BTemplates.com

recentposts

Categories

Powered by Blogger.

Followers

Total Pageviews

Search This Blog


Facebook

Ads

Ad Banner

Random Posts

randomposts